সোমবার পৌনে ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। রমনা থানার ডিউটি অফিসার এসআই হেলেন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ছাত্রদের সঙ্গে একটু ঝামেলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তা স্বাভাবিক হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলা আড়াইটার সময় দেখা যায়, গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সেখানে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা ব্যস্ত যানজট নিয়ন্ত্রণে।
প্রত্যক্ষদর্শী এক ট্রাফিক পুলিশ জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাস বাংলামটরের দিক থেকে আসা সার্ক ফোয়ারা এলাকায় আসে। এসময় সিগন্যাল দেওয়া ছিল। তারা সিগন্যাল অমান্য করে গাড়িটি নিয়ে সামনের দিকে যায়। এসময় সেখানে কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা বাধা দেয়। কারণ তখন ভিআইপি মুভমেন্ট ছিল। কিন্তু তারপরও তারা সামনের দিকে যায়। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের বাক-বিতণ্ডা হয়। পরে এক আনসার সদস্যকে বাসে তুলে মারধর করে শিক্ষার্থীরা।
তবে ট্রাফিক পুলিশের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ওই বাসের ‘স্টুডেন্টস কমিটির’ সভাপতি শামস মিরাজ। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে গুলশান হয়ে বারিধারায় যাচ্ছিল বাসটি। চালককে হর্ন বাজানোর অপরাধে আনসার সদস্যরা আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। আমাদের পাঁচ শিক্ষার্থীকে পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে, মারধর করে। মোবাইল ফোন রেখে দেয়।
আমরা সড়ক অবরোধ করিনি। মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার জন্য আমরা পুলিশকে রাস্তায় নেমে অনুরোধ করি বলেও জানান তিনি।
তবে রমনা থানার এসআই হেলেন বলেন, একটু উত্তেজনার সৃষ্টি হলেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
/এআরআর /এএইচ/