বৃহস্পতিবার ২০তম সাক্ষী মো. খন্দকার আবদুস সালাম নামে এক ব্যক্তি সাক্ষ্য দিয়েছেন আদালতে। আদালত আংশিক সাক্ষ্য নেওয়ার পর আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।
২০১২ সালের ২২ জুন সামিউল বাসার সামনে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় এবং ২৪ জুন আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, সামিউলের মা আয়েশা হুমায়রা এশার (২৫) সঙ্গে শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কু (৩৮) নামে এক ব্যক্তির পরকীয়া ছিল। ওই সম্পর্কের জের ধরে সামিউলকে হত্যা করা হয়েছে, এমন অভিযোগ এনে তার বাবা কেআর আজম (৪২) আদাবর থানায় হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে এশা ও বাক্কুর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
২০১২ সালের ২৫ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার ওসি কাজী শাহান এই দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
/টিএইচ/এজে/