৯৯৯ এ শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার চার অভিযোগে গ্রেফতার ৪

জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ তিন দিনে শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার চারটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার (২৬ জুন) থেকে রবিবার (২৮ জুন) পর্যন্ত তিন দিনে গাইবান্ধা, ময়মনসিংহ ও নারায়ণগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

৯৯৯ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, প্রতিটি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রবিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মাওনা থেকে একজন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান, তার পাঁচ বছরের শিশুকন্যাকে ৪০ বছর বয়স্ক এক ব্যক্তি ধর্ষণের চেষ্টা করেছে। ৯৯৯ থেকে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে রূপগঞ্জ থানায় জানানো হয়। খবর পেয়ে রূপগঞ্জ থানার একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জনগণের সহায়তায় জনরোষের শিকার অভিযুক্ত মো. আরিফকে গ্রেফতার করে।

এদিকে শনিবার বিকালে ময়মনসিংহের ভালুকার দক্ষিণ হবির বাড়ি খন্দকার পাড়া থেকে একজন ৯৯৯ এ ফোন করে জানান, সেখানে আট বছরের এক কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ৯৯৯ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভালুকা থানায় জানানো হয়। পরে ভালুকা থানার একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জনগণের সহায়তায় অভিযুক্ত বাদল রবি দাসকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

এছাড়া শনিবার বিকালে রাজশাহীর পুঠিয়ার ডিলমারিয়া থেকে একজন ৯৯৯ এ ফোন করে জানান, সেখানে ১১ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক পুঠিয়া থানায় জানানো হয়। খবর পেয়ে পুঠিয়া থানার একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জনগণের সহায়তায় অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করে।

অপরদিকে শুক্রবার গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় মসজিদের মক্তবে সাত বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে সাদুল্লাপুর থানা-পুলিশ। উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের কিশামতবাগচী আশকর পাড়া জামে মসজিদ ও মক্তব থেকে শিক্ষক মনির হোসেনকে (২১) গ্রেফতার করা হয়।

৯৯৯ জানায়, শুক্রবার বিকালে মক্তব ছুটির সময় মুয়াজ্জিন এক শিশুকে কৌশলে আটকে রাখেন। পরে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দৌড় দিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি টের পেয়ে এলাকাবাসী মসজিদটি ঘেরাও করে রাখে। এ ঘটনায় ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন স্থানীয় এক ব্যক্তি।

৯৯৯ থেকে সাদুল্লাপুর থানায় জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়। পরে সাদুল্লাপুর থনা-পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।