শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ডক্টর মইনুল খান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, গোপন সংবাদ পেয়ে শুল্ক গোয়েন্দারা মঙ্গলবার দুপুরেই রাজধানীর বনানীর ওই বাড়িতে অভিযান চালান। অভিযান চালানোর পর গাড়ির মালিক ব্যবসায়ী জাহিদ হোসেন ও তার লোকজন শুল্ক গোয়েন্দাদের চ্যালেঞ্জ করে বলেন, গাড়িটি বৈধভাবেই তারা ব্যবহার করছেন। বিআরটিএ থেকে রেজিস্ট্রেশনের কিছু কাগজপত্রও দেখান তারা।
পরে শুল্ক গোয়েন্দারা বিআরটিএতে খোঁজ নিয়ে দেখেন রেজিস্ট্রেশনটি ভুয়া। গাড়িতে যে নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, তা হচ্ছে ঢাকা মেট্রো-গ ১৩-১৯৫৭। তারপরও তাদের আর কোনও কাগজপত্র থাকলে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরে দাখিল করতে বলা হয়।
আরও পড়তে পারেন: চেহারায় ইলিশ, আসলে ইলিশ নয়
মইনুল খান জানান, জাহিদ হোসেন বনানীর বৈশাখী টেলিভিশন ভবনের মালিক ও কনস্ট্রাকশন ব্যবসায়ী। জাহিদ হোসেনের দাবি, তিনি সিলেটের জনৈক ব্যবসায়ী জাফর আহমেদের কাছ থেকে গাড়িটি কিনেছেন। এই জাফর আহমদকেও খুঁজছেন শুল্ক গোয়েন্দারা।
একই পদ্ধতিতে নিয়ে এসে অবৈধভাবে ব্যবহার করা একটি বিএমডব্লিউ গত ৫ এপ্রিল গুলশান-২ এলাকা থেকে এবং পরদিন ৬ এপ্রিল গুলশান-১ এলাকা থেকে পোরশে জিপটি আটক করেন শুল্ক গোয়েন্দারা। এরপর ১০ এপ্রিল সিলেট থেকে মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়ি জব্দ করেন শুল্ক গোয়েন্দারা। অবৈধভাবে ব্যবহার করা বিলাসবহুল গাড়ির মালিকদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিজি মইনুল খান।
/জেইউ/এমএনএইচ/