পদ্মা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের মধ্যে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়, গুলশান সাউথ অ্যাভিনিউ ও বসুন্ধরা শাখার আট সাবেক কর্মকর্তাও রয়েছেন।
রবিবার (২৩ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুসন্ধান দলের প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনার পর কমিশন নিয়মিত মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের অনুমোদনপত্র অনুযায়ী, দণ্ডবিধির ৪০৯, ১০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ধারায় মামলাটি করা হবে।
মামলার অনুমোদন পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন—এম এইচ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. মমিনুর রহমান ও মো. অজিত উল্লাহ, পদ্মা ব্যাংক পিএলসির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মোতালেব পাটোয়ারী, ব্যাংকটির গুলশান সাউথ অ্যাভিনিউ শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জর্জ কর্নেলিয়াস গমেজ, একই শাখার সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ মো. রাসেল মিয়া এবং সাবেক ম্যানেজার অপারেশন এম আতিফ খালেদ।
এ ছাড়া আসামি করা হচ্ছে পদ্মা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাবেক ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আমেনা বেগম, বসুন্ধরা শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামছুল হাসান ভূঞা, একই শাখার সাবেক ম্যানেজার অপারেশন মাহবুব আহমদ এবং সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ মো. কাওসার হোসেনকে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা, জাল দলিল তৈরি, প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি, জাল দলিলকে আসল হিসেবে ব্যবহার, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ আনা হবে।
কমিশনের অনুমোদন অনুযায়ী এজাহার দায়ের করে এর অনুলিপিসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলা দায়েরের পর তদন্তে অভিযোগের সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে দুদক।