রিমান্ড থেকে পালানো সেই নারী কারাগারে

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী মিতুকে গ্রেফতারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকা থেকে মিতুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই সৌমিত্র সরকার মিতুকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেফতারের পর ২৪ আগস্ট মিতুর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান কবির তাকে থানায় নিয়ে আসেন। এ সময় মিতুর সঙ্গে তার দুই বছর পাঁচ মাস বয়সী শিশুও ছিল। তাকে ঘটনা-সংক্রান্ত বিষয়ে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

২৭ আগস্ট রিমান্ড শেষে মিতুকে আদালতে পাঠানোর আগে সকালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। এক নারী কনস্টেবলের পাহারায় থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কে ছিলেন মিতু। এ সময় কৌশলে দরজা খুলে শিশু সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যান তিনি।

মামলাটি তদন্তাধীন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মিতুকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে মিতুর পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না বলে জানিয়েছেন এসআই মহিন উদ্দিন।

হেফাজত থেকে পালানোর ঘটনায় শুক্রবার যাত্রাবাড়ী থানায় এসআই খন্দকার আবু সালেহ নাঈম মামলা করেন।