এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইসমাইল নামের একজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী একটি পরিবহনের চালক সোহেল রানাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বাসচালক সোয়েল রানা (৪০), চালকের সহকারী মনির (১৮) এবং সুপারভাইজার সাজু (২৮)। এর মধ্যে সোয়েল রানাকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় পুলিশ ও র্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে।
এ ঘটনায় ডিএমপির পক্ষ থেকে রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতার সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন বিস্তারিত জানাবেন বলে জানানো হয়।
র্যাব-১ এর পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে বনানী এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের ডাটাবেজ থেকে পরিচয় শনাক্ত করলে জানা যায় ওই ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন (৫০)। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে। জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা নিয়ে তিনি জামালপুর থেকে গাজীপুর ফিরছিলেন। কিন্তু পথমধ্যে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর জড়িতদের ধরতে র্যাব-১-এর আভিযানিক দল ছায়াতদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন আসামি বাস ড্রাইভার সোহেল রানাকে মহাখালী এলাকার ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়া পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে অপর দুই সন্দেহভাজন আসামি বাসের সুপারভাইজার সাজু ও বাসের হেলপার মনিরকেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রাজ ক্লাসিক বাসটিও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বনানী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।