নেশা জাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার: দুই জনের যাবজ্জীবন

১০ বছর আগে ঢাকার বংশাল এলাকা থেকে সোয়া ২ লাখ টাকার ১ হাজার ৫০০ পিচ নেশা জাতীয় ইনজেকশন উদ্ধারের মামলায় শাহেদ হোসেন ও মনির হোসেন কুরবান নামে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এ রায় ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান সাজার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দুই আসামি জামিনে ছিল। তাদের মধ্যে শাহেদ আদালতে হাজির হয়। তবে রায়ের সময় তাকে ডেকে পাওয়া যায়নি।

আর কুরবান অসুস্থ, তার আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন করে। আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে দুই আসামির জামিন বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

২০১৬ সালের ৩০ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বংশাল থানার আগামাসী লেন এলাকায় অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। তাদের দেখে কয়েকজন পালিয়ে যায়। শাহেদ ও কুরবানকে আটক করে পুলিশ। কুরবানকে তল্লাশি করে ৮০০ পিচ ও শাহাদের কাছ থেকে ৭০০ পিচ নেশা জাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের ডেমরা জোনাল টিমের উপ-পরিদর্শক (এসআই) এরশাদ হোসেন ওইদিনই বংশাল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ অক্টোবর দুই জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন ডেমরা জোনাল টিমের আরেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) ডিএমএ মজিদ।

২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে চার জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আসামিদের আজ সাজার রায় এলো।