রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ছুরিকাঘাতে আহত সজীব (২২) ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত সজীবের মামাতো বোন শারমিন আক্তার জানান, সজীব মিরপুর-১০ নম্বর সেকশনের ৫ নম্বর ওয়াবদা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। তিনি মিরপুর-১০ এলাকায় একটি পোশাক বিক্রির দোকানে কাজ করতেন।
পরিবারের অভিযোগ, গত বুধবার ভোরে কাইল্লার বস্তির মোড়ে বাইল্লা জুয়েল, জয়সহ ৩-৪ জন সজীবকে আটক করে তার মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তাদের হাত থেকে ছুটে দৌড়ে পালানোর সময় পেছন থেকে সজীবের পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় সজীব বাসার কাছে চলে গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নেয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাশেদুল ইসলাম স্বাধীন জানান, পরিবারের কাছ থেকে জানা গেছে, বুধবার ভোরে কাইল্লার মাঠ এলাকায় কয়েকজন সজীবের পিঠের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার তার মৃত্যু হয়।
তিনি জানান, সজীবের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যেই হামলা করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার দিন জয়কে এবং সোমবার সকালে জুয়েল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।