র্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত জানান, মো. মজনু খাঁকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, মো, আলআমিনকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, মো, রেজাউল করিমকে ২ মাসের কারাদণ্ড, মো. সুমনকে ২ মাসের কারাদণ্ড, মো. সিদ্দিকিকে ২ মাসের কারাদণ্ড, মো. মোকারম হোসেনকে ২ মাসের কারাদণ্ড, মো. আলী ১ মাসের কারাদণ্ড, মো. রুবেল প্রধানকে ১ মাসের কারাদণ্ড, মোসা. শারমিনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড, মোসা. রেশমাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড, মোসা. শাহানা বেগমকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড, মোসা. রত্না রানী দাশকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড, মোসা. কল্পনাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড, মোসা. আজিরনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড, মোসা. মরজিনা শারমিনকে ১০ দিনের কারাদণ্ড, মো. সহিদুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ০৭ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিন জানান, দালাল ও প্রতারক চক্রের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা পঙ্গু হাসপাতালের সামনে থেকে রোগীদের কম টাকায় চিকিৎসা করার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের এজেন্টভুক্ত ক্লিনিকে নিয়ে যান। এর বিনিময়ে দালাল চক্র ক্লিনিকের মালিকদের কাছ থেকে কমিশনে টাকা নেয়।
আরও পড়তে পারেন:
এক্ষেত্রে সাধারণ রোগীরা দুভাবে প্রতারিত হন। প্রথমত ক্লিনিকের নিম্নমানের চিকিৎসা যা স্বাস্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং এসব ক্লিনিকে চিকিৎসার খরচ অনেক বেশি, ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ভ্রাম্যমান আদালত আসামিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করে দণ্ড বিধির ২৯১ ধারা অনুযায়ী তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
/জেএ/ এমএনএইচ/