মিরপুরে সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশ ও বিএনপি কর্মীদের অবস্থান

মিরপুর ১০ নম্বরে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে চলা সংঘর্ষ ঠেকাতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সেই এলাকায় অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। লাঠি হাতে তাদের এলেকায় টহল দিয়ে হকারদের তাড়া দিতে দেখা গেছে। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।  বর্তমানে ওই এলাকার যান চলাচল স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। এর আগে হকারদের সঙ্গে পুলিশের উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে সিটি করপোরেশনের কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।  

স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা জানান, সরকারি যানবাহনে আগুন এবং পুলিশের ওপর হামলা গ্রহণযোগ্য না। 

এসময় তাদের হোপ মার্কেট এলাকায় লাঠি হাতে মিছিল করতে দেখা যায়।

তাদের দাবি, দেশকে অস্থিতিশীল করতে হকারের ছদ্মবেশে একটা গোষ্ঠী মাঠে নেমেছে এবং মিরপুরে তান্ডব চালাচ্ছে। আমরা তাদের প্রতিহত করতে মাঠে আছি।  

এদিকে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, আমরা নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত নিয়মিতভাবে আমরা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি। সেই উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে আজকেও ১০ নম্বরে উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আমরা ফুটপাত উদ্ধারের জন্য অভিযান পরিচালনা করার সময় ফ্যাসিজমের আমল থেকে যারা ফুটপাত দখল করে রেখেছিল তারাসহ তাদের ইন্ধনে আজকে সিটি করপোরেশনের পরিবহন, সাংবাদিক, ও কিছু পুলিশ কর্মকর্তার ওপরে তারা হামলা করে। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সাধারণ জনগণের প্রতিরোধের মুখে ফ্যাসিজমের দোসররা পালাতে বাধ্য হয়েছে। 

তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিচ্ছি নগর সেবার জন্য আমার প্রিয় নগরবাসীকে নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য, ফুটপাত উদ্ধারের যেই কর্মসূচি আছে— চলমান থাকবে। পরিকল্পিতভাবে ফ্যাসিজমের দোসররা মসজিদে আগুন দিয়ে অরাজকতার সৃষ্টি করেছে। যারা এই অরাজকতার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আজ মামলা হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা হবে, ডিএনসিসির পক্ষ থেকে মামলা হবে। তদন্ত করে তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে। অবৈধভাবে কাউকে এখানে ফুটপাত দখল করতে দেবো না।’