মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছালো

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ২৩ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৭ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

প্রসিকিউশনের পক্ষে সময় চান প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ। এ সময় প্রসিকিউটর মঈনুল করিম, মামুনুর রশিদ, মার্জিনা রায়হানসহ অন্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রসিকিউশন জানায়, কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আজ পঞ্চম সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, সাক্ষীও ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। তবে অন্য একটি মামলায় দুজনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলায় সময় চায় প্রসিকিউশন। পরে আগামী ৭ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

এ দিন সকালে কারাগারে থাকা কামরুল ও মেননকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এ মামলায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর এ মামলায় চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন জুলাইযোদ্ধা হান্নান মিয়া।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন উসকানি দিয়েছেন কামরুল ও মেনন। তারা আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার ও কারফিউ জারির প্ররোচনা দেন। তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশ এলাকায় ২৩ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।