মানবতাবিরোধী অপরাধ

লক্ষ্মীপুরে ৫ ও বানিয়াচংয়ে ৮ জনকে হত্যায় ২ প্রতিবেদন প্রস্তুত

চব্বিশের জুলাই গণআন্দোলন চলাকালে লক্ষ্মীপুরে ৫ জনকে হত্যা এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় ৮ জনকে হত্যাসহ সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলার (মিস কেইস) তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আমরা ইতোমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দুটি হাতে পেয়েছি। এসব প্রতিবেদন এখন পর্যালোচনা করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে এবং পরবর্তীতে তা ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে। 

জানা গেছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে লক্ষ্মীপুরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া তিন আসামি হলেন— লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, সদর উপজেলার দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন জাবেদ এবং জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন আলম।

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট লক্ষ্মীপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। তাদের গুলিতে চার শিক্ষার্থীসহ পাঁচজন নিহত হন। নিহতরা হলেন— আল আসাদ আফনান, সাব্বির হোসেন রাসেল, কাউসার হোসেন, ওসমান গণি ও মো. সুজন। এদের মধ্যে আফনান শহরের মাদাম ব্রিজ এলাকায় এবং অন্য চারজন তমিজ মার্কেট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

অপরদিকে ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে পুলিশের গুলিতে শিশুসহ আটজন নিহত হন। এ ঘটনায় নারী ও পুরুষসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। সিলেট বিভাগের মধ্যে হবিগঞ্জ জেলাতেই নিহতের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।