সংবাদপত্রের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বুধবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. সেলিমের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেন।
একইসঙ্গে মারধরের শিকার ওই ছাত্র জামিউল ইসলাম নাদিম যেন কোনও ধরনের বাধা ছাড়াই স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে, সে ব্যবস্থা নিতেও অধ্যক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে উদয়ন উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্র মারধরের ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বুধবার একটি দৈনিকের একটি প্রতিবেদন আদালতের গোচরে আনেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার আবু খালেদ আল মামুন।
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এএসএম নাজমুল হক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ আর এম হাসানুজ্জামান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রুহুল কুদ্দুস জানান, ছাত্র প্রহারের ওই ঘটনার তদন্ত করে দোষী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
শিক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, ঢাকার জেলা প্রশাসক, কলেজের অধ্যক্ষ ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থিত উদয়ন উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক জাউশেদ আলম ১৩ এপ্রিল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে মারধর করেন। শিক্ষকের অভিযোগ ওই ছাত্র তাকে নিয়ে কটূ মন্তব্য করেছে। মারধরের ঘটনা প্রকাশ পেলে অভিভাবকরা এর প্রতিবাদ করেন। সঙ্গে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক শিক্ষক। পরে ওই শিক্ষক মারধরের কথা স্বীকারও করেন।
জেএ/এজে/