শিশুকে নিয়ে বিমান ভ্রমণ করবেন? জেনে নিন ৬ টিপস

শিশুকে নিয়ে দীর্ঘ পথ বিমান ভ্রমণ করা বেশ বিড়ম্বনার। শিশু হঠাৎ কান্নাকাটি শুরু করলে অন্যান্য যাত্রীদের অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলার কারণে বেশ লজ্জায় পড়তে হয় বাবা-মাকে। আবার শিশু যদি হয় টোডলার বা দুরন্ত বয়সের, তবে তাকে সামলে-সুমলে নির্দিষ্ট জায়গায় বসিয়ে রাখাটা যেন প্রায় অসম্ভবের কাছাকাছি। তাই বিমানে দীর্ঘ যাত্রাপথ পাড়ি দেওয়া বাবা-মায়ের জন্য ভীতিজনক নিঃসন্দেহে। তবে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও কিছু বিষয় মনে রাখলে এসব বিড়ম্বনা কমবে অনেকটাই। 

  1. শিশুর জন্য ওয়াইপস, ডায়াপার, স্ন্যাকস এবং কাপড় পরিবর্তনের ব্যাগ হাতের কাছে রাখবেন। বিব, শিশু এবং আপনার জন্য অতিরিক্ত পোশাক, প্যাসিফায়ার, ফিডিং বোতল, ফার্স্ট এইড কিট, প্রয়োজনীয় ওষুধ, আইস প্যাক সঙ্গে থাকা ব্যাগে রাখুন।  
  2. সঙ্গে নবজাতক থাকেলে বাল্কহেডে বসার চেষ্টা করুন। বাল্কহেড সেই পার্টিশনের কাছে থাকে, যেটি প্লেনকে একদম মাঝখান থেকে ভাগ করে। এখানে পা রাখার জন্য বড় জায়গা থাকে, যা আপনার এবং শিশুর জন্য আরামদায়ক। এই সিটগুলো সাধারণত সিটিং সেকশনের সামনের অংশে পাওয়া যায়। 
  3. দ্য হেলথ জার্নাল বলছে, ফ্লাইটে শিশুদের অস্বস্তির সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো কেবিনের চাপ তাদের সংবেদনশীল কানে চাপ দেয়। বাচ্চাদের কান প্রাপ্তবয়স্কদের কানের তুলনায় বেশি সংবেদনশীল এবং তারা কানের ওপর বাতাসের চাপকে প্রাপ্তবয়স্কদের মতো করে সামঞ্জস্য করতে পারে না। বিমানে ভ্রমণের সময় শিশুদের হেডফোন বা ছোট ইয়ারপ্লাগ এক্ষেত্রে সহায়তা করে।
  4. উড্ডয়নের সময় তীক্ষ্ণ সব থেকে শিশুর কান বাঁচাতে তুলার বল গুঁজে দিতে পারেন তাদের কানে। অথবা শিশুকে প্যাসিফায়ার দিতে পারেন চোষার জন্য। এটি শিশুর কানের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করবে।
  5. শিশুর জন্য বুকের দুধ বা ফর্মুলা সঙ্গে নিয়ে প্লেনে উঠতে পারবেন। জুস এবং পানি নিয়েও ভ্রমণ করতে পারবেন। শিশুর খাবারের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। আইস প্যাক, ফ্রিজার বা জেল প্যাক এবং ফর্মুলা বা বুকের দুধ ঠান্ডা করার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিসপত্রও নিতে পারবেন সঙ্গে। 
  6. বেবি ক্যারিয়ার বা ভ্রমণ স্ট্রলার নিতে পারেন দীর্ঘপথ ভ্রমণের ক্ষেত্রে। 
  7. টোডলার বা দুরন্ত বয়সের শিশুদের জন্য অ্যাক্টিভিটি বুক ও খেলনা সঙ্গে নিয়ে নিন।