তৈলাক্ত ত্বকেরও কি ময়েশ্চারাইজার প্রয়োজন?

তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা অনেকেই ক্লিনজিং, টোনিং এবং সিরাম ব্যবহার করলেও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন না। ভাবেন এতে ত্বক আরও তৈলাক্ত হয়ে পড়বে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারণা ভুল। সব ধরনের ত্বকের ক্ষেত্রেই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার আবশ্যক। ময়েশ্চারাইজার তৈলাক্ত ত্বকের তেল উৎপাদন বাড়ায় না, বরং তেল উত্পাদন নিয়ন্ত্রণ করে। 

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের পর ত্বক অতিরিক্ত তেলতেলে হয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার বদলে ফেলুন। হালকা বা ম্যাট ফিনিশ ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন যা ভারী নয়। অত্যধিক ভারী ময়েশ্চারাইজার ত্বককে তেলতেলে ও নিস্তেজ করে ফেলে। হালকা ধরনের ময়শ্চারাইজার ত্বককে আঠালো করে না, কিন্তু ত্বক হাইড্রেট করে। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের তিনটি প্রধান সুবিধা জেনে নিন।

  1. ফেস ময়েশ্চারাইজার সিবাম উত্পাদন নিয়ন্ত্রণ করে এবং হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরিয়ে দেয়।
  2. ডিহাইড্রেটেড ত্বকে খুব দ্রুতই বলিরেখা পড়ে যায়। ময়শ্চারাইজিং আপনার ত্বককে মসৃণ এবং নমনীয় করে এবং এই প্রক্রিয়াটিকে ধীর করে দেয়। ময়েশ্চারাইজার হাইপারপিগমেন্টেশনের সমস্যাগুলোও সমাধান করে। 
  3. যদি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করেন তবে ত্বক সরাসরি ধুলো, ময়লা এবং দূষণের সংস্পর্শে আসে। এতে রোমকূপ আটকে ব্রণ সৃষ্টি হয়। ময়েশ্চারাইজার ত্বককে সুরক্ষা দেয় ধুলাবালি থেকে।