ভিজিয়ে রেখে এরপর খোসা ছাড়িয়ে খেতে হয় কাঠবাদাম। কারণ কাঠবাদামের খোসায় ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই অনেকে তা হজম করতে পারেন না। তাই বলে খোসাগুলো ফেলে দেওয়ার কিন্তু কোনও কারণ নেই। কাঠবাদামের খোসা সরাসরি না খেলেও অন্যভাবে তা কাজে লাগানো যেতে পারে। জেনে নিন কীভাবে ব্যবহার করবেন।
- কাঠবাদামের খোসা কাজে লাগাতে পারেন রূপচর্চায়। প্রাকৃতিক এই উপাদানের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ত্বকের উপর জমে থাকা মৃত কোষ দূর করতেও সাহায্য করে এটি। ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে এবং ফ্রি র্যাডিক্যালের সমতা বজায় রাখতেও সহায়তা করে। কাঠবাদামের খোসার সঙ্গে নারকেল তেল এবং সামান্য মধু মিশিয়ে ত্বকে ঘষে ঘষে লাগান। কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
- সার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কাঠবাদামের খোসা। উপাদানটি মাটির সঙ্গে সহজে মিশে যায়, তাই সেখান থেকে পরিবেশে কোনও রকম দূষণ ছড়ানোর ঝুঁকি নেই। সার তৈরি করতে প্রথমে বাদামের খোসা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন। চাইলে গুঁড়ো করে নিতে পারেন। আনাজের খোসা, ডিমের খোসা, ফেলে দেওয়া চা পাতার সঙ্গে কাঠবাদামের খোসা মিশিয়ে কম্পোস্ট সার তৈরি করে গাছের গোড়ায় দিয়ে দিন।
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানে সমৃদ্ধ কাঠবাদামের খোসা দিয়ে পুষ্টিকর পানীয়ও তৈরি করা যায়। এজন্য ফুটন্ত পানিতে কাঠবাদামের খোসা দিয়ে দিন। চাইলে এক টুকরো আদা, দারুচিনিও দিতে পারেন। ছেঁকে মধু মিশিয়ে পান করুন পানীয়।