যেসব ওষুধ গরম সহ্য করা কঠিন করে তুলতে পারে

তীব্র গরমে কারও শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে, কেউ অতিরিক্ত ঘামেন, আবার কারও মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগতে পারে। তবে সব সময় শুধু আবহাওয়াই এর জন্য দায়ী নয়। বিষণ্নতা, এডিএইচডি, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু বহুল ব্যবহৃত ওষুধও শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে গরমে পানিশূন্যতা ও তাপজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

এ বছর জুনে ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের সময় ব্রাসেলসের ২৮ বছর বয়সী ইলিয়ানা ওকুমুস বুঝতেই পারছিলেন না, অন্যদের তুলনায় তার এত বেশি কষ্ট হচ্ছে কেন।

তিনি বলেন, “অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমার মুখ ঘামতে শুরু করতো।” শীতাতপনিয়ন্ত্রণহীন ভবনের ওপরের তলায় বসবাস করায় গরম থেকে স্বস্তি পেতে অফিস, স্থানীয় ক্যাফেসহ যেখানে ঠান্ডা পরিবেশ পেয়েছেন, সেখানেই যাওয়ার চেষ্টা করতেন তিনি। কিন্তু তাতেও খুব একটা স্বস্তি মিলছিল না।

ওকুমুস বলেন, ‘‘ঠান্ডা হতে আধা ঘণ্টা, কখনও এক ঘণ্টাও লেগে যেতো। একদিন অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরের তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। মনে হয়, সেদিন প্রায় ১৮ ঘণ্টা ঘুমিয়েছিলাম।”

ঘুম থেকে জেগে ওঠাও কঠিন হয়ে পড়েছিল তার। এমনকি রক্তচাপ কমে গেছে কি না, তা নিয়েও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তিনি।

তবে তীব্র গরম ওকুমুসের কাছে নতুন কিছু ছিল না। বিশ্বের অন্য কিছু অঞ্চলে তিনি ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার গ্রীষ্মও কাটিয়েছেন। কিন্তু এবারই প্রথম গরম তাকে এতটা কাবু করে ফেলেছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই ধরনের উপসর্গের কথা জানানো কয়েকজনের পোস্ট দেখার পর বিষয়টি তার কাছে পরিষ্কার হতে শুরু করে। প্রায় দুই বছর আগে বিষণ্নতা ও উদ্বেগের চিকিৎসার জন্য যে ওষুধ খাওয়া শুরু করেছিলেন, তার সঙ্গে গরমে তার শারীরিক সমস্যার কোনও সম্পর্ক আছে কি না, তখনই সেই যোগসূত্রটি বুঝতে পারেন তিনি।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহ আরও ঘন ঘন ও তীব্র হয়ে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোও সতর্ক করছে কিছু ওষুধ শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ঘাম এবং পানি-ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে গরমে এসব ওষুধ গ্রহণকারী কিছু মানুষের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

গরমে মানসিক স্বাস্থ্যের ওষুধ

বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও বাইপোলার ডিসঅর্ডারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ওষুধ শরীরকে গরমের প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। এর একটি কারণ হলো, এসব ওষুধ মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে হাইপোথ্যালামাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নিউ হ্যাম্পশায়ারের অবসরপ্রাপ্ত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ রবার্ট ফেডারের মতে, মস্তিষ্কের এই অংশ শরীরকে গরমের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শারীরিক কর্মকাণ্ড কমানো, বেশি ঘামা এবং বিপাকক্রিয়ার হার কমানোর মতো প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে সাহায্য করে।

তবে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন থাকার পরও অনেকের কাছে গরমে এসব ওষুধের সম্ভাব্য প্রভাব অজানা থেকে যায়।

লস অ্যাঞ্জেলেসের ৩৬ বছর বয়সী ক্যারিয়ার কোচ ক্যারোলিন ফ্রেসিনের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটেছিল। তিনি একটি অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, একটি মুড স্ট্যাবিলাইজার এবং এডিএইচডি ওষুধ গ্রহণ করছিলেন। জুলাইয়ের অস্বাভাবিকভাবে দীর্ঘ ও আর্দ্র তাপপ্রবাহের মধ্যে তার মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে, খিটখিটে লাগতে থাকে এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘাম হতে থাকে।

প্রথমে তিনি এসব উপসর্গের জন্য অনিয়মিত খাবার ও পর্যাপ্ত পানি না খাওয়াকে দায়ী করেছিলেন। পরে মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা গোষ্ঠীর এক বন্ধুর পাঠানো তথ্য থেকে গরম ও ওষুধের সম্ভাব্য সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন।

তিনি বলেন, “আমার মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা এবং আমি যে ওষুধগুলো খাই, সেগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আমি যতটা সচেতন, তারপরও এটি এমন একটি বিষয় ছিল, যা আমি একেবারেই জানতাম না।”

অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টেও বাড়তে পারে ঝুঁকি

বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টের মধ্যে রয়েছে এসএসআরআই ও এসএনআরআই। সারট্রালিন, ফ্লুওক্সেটিন, এসসিটালোপ্রাম ও ভেনলাফ্যাক্সিন এ ধরনের ওষুধের উদাহরণ।

এসব ওষুধ মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করে। হাইপোথ্যালামাসে সেরোটোনিনের মাত্রার পরিবর্তন শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এবং অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট গ্রহণকারীদের একটি অংশের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর ফলে পানিশূন্যতা ও ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতির ঝুঁকি বাড়তে পারে।

ফেডার বলেন, “উচ্চ তাপমাত্রার কারণে শরীরে যখন আগে থেকেই পানিশূন্যতা তৈরি হয়, তখন এই সমস্যা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।”

পুরোনো ধরনের অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টসও গরমে সমস্যার কারণ হতে পারে। এগুলো কখনও অতিরিক্ত ঘাম তৈরি করতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে ঘাম কমিয়েও দিতে পারে। ঘাম শরীর থেকে অতিরিক্ত তাপ বের করে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। তাই ঘাম কমে গেলে শরীরে তাপ জমে যেতে পারে।

এসব ওষুধের মধ্যে কিছু অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব রয়েছে। অর্থাৎ, শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখা অ্যাসিটাইলকোলিনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হতে পারে, যার প্রভাব ঘাম উৎপাদনের ওপরও পড়ে।

অ্যান্টিসাইকোটিক ও এডিএউচডি-এর ওষুধ

সিজোফ্রেনিয়া ও বাইপোলার ডিসঅর্ডারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধও শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে। এসব ওষুধ হাইপোথ্যালামাসে ডোপামিনের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলায় শরীরকে ঠান্ডা রাখার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

অন্যদিকে, এডিএউচডি-এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত রিটালিনের মতো স্টিমুল্যান্ট শরীরে তাপ উৎপাদন বাড়াতে এবং রক্তনালি সংকুচিত করতে পারে। ফলে শরীরের স্বাভাবিক শীতল হওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। এসব ওষুধ শারীরিক পরিশ্রমের অনুভূতিও কিছুটা আড়াল করতে পারে। ফলে শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কেউ কেউ তা বুঝতে দেরি করতে পারেন।

উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগের ওষুধেও সতর্কতা

তাপপ্রবাহে ঝুঁকি বাড়াতে পারে এমন ওষুধ শুধু মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ওষুধও শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ও পানির ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ডাইইউরেটিক, এসিই ইনহিবিটর এবং এআরবি শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশেষ করে ডাইইউরেটিক শরীর থেকে পানি ও লবণ বের করে দেয়। অন্যদিকে, এসিই ইনহিবিটর ও এআরবি তৃষ্ণা অনুভবের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

তীব্র গরমের সঙ্গে এসব প্রভাব যুক্ত হলে শরীরে গুরুতর পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে। এর ফলে কিডনির গুরুতর সমস্যা, হৃদ্‌রোগসহ বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

হৃদ্‌রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিটা-ব্লকার ত্বকের দিকে রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দিতে পারে। এতে শরীর থেকে অতিরিক্ত তাপ বের করে দেওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।

এ ছাড়া পারকিনসন রোগ, অতিসক্রিয় মূত্রথলি, শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা ও অ্যালার্জির চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধও ঘাম ও শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।

“অনেক সময় মানুষ একসঙ্গে একাধিক ওষুধ গ্রহণ করেন, যেগুলো শরীরের ঠান্ডা হওয়ার ক্ষমতায় বাধা দিতে পারে এবং একই সঙ্গে বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে,” বলেন হার্পার।

বয়স্কদের ঝুঁকি বেশি

বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে গরমজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি এমনিতেই বেড়ে যায়। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি একাধিক রোগের কারণে ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের একই সঙ্গে একাধিক ওষুধ গ্রহণের সম্ভাবনাও বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ গ্রহণকারী বয়স্কদের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ডাইইউরেটিক, অ্যান্টিসাইকোটিক, বিটা-ব্লকার, স্টিমুল্যান্ট ও উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ গ্রহণকারীদের গরমের সময়ে তাপজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে এমনকি তীব্র তাপপ্রবাহ না থাকলেও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একাধিক ওষুধ একসঙ্গে গ্রহণ করলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তবে ঠিক কোন কোন ওষুধের সংমিশ্রণ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, সে বিষয়ে এখনও পর্যাপ্ত গবেষণা হয়নি।

গরমে ওষুধের প্রভাব বুঝতে না পারার ঝুঁকি

লাস ভেগাসে একটি কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে এমনই এক ব্যক্তির দেখা পেয়েছিলেন দক্ষিণ নেভাদার টুরো ইউনিভার্সিটির জরুরি চিকিৎসাবিষয়ক চিকিৎসক সহকারী সিসিলিয়া আহানোনু। তাপমাত্রা তখন প্রায় ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ষাটের কোঠায় থাকা ওই ব্যক্তি একটি পার্কে ঘুমাচ্ছিলেন।

আহানোনু বলেন, “তাকে ফ্যাকাশে দেখাচ্ছিল, প্রচণ্ড ঘামছিলেন এবং তার হৃদ্‌স্পন্দনের হারও অনেক বেশি ছিল।”

ওই ব্যক্তি ডাইইউরেটিক ও এসএসআরআই গ্রহণ করছিলেন। কিন্তু শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও বিষয়টি তিনি বুঝতে পারেননি। প্রথমে তিনি নিজের উপসর্গের জন্য তীব্র গরমকেই দায়ী করেছিলেন। পরে আরও কিছু প্রশ্ন করার পর তার নিয়মিত খাওয়া ওষুধের সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি সামনে আসে।

আহানোনু তাকে বেশি পানি পান করা, দিনের সবচেয়ে গরম সময়ে সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা এবং কাছাকাছি শীতল পরিবেশের ব্যবস্থা রয়েছে এমন জায়গায় যাওয়ার পরামর্শ দেন। তাকে হিট স্ট্রোকের গুরুতর লক্ষণ সম্পর্কেও সতর্ক করা হয়।

ওষুধ বন্ধ নয়, প্রয়োজন সচেতনতা

গরমে ওষুধের সম্ভাব্য প্রভাবের কথা জেনে কেউ যেন নিজের ইচ্ছায় ওষুধ বন্ধ করে না দেন, এ বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকেরা। কারণ হঠাৎ কোনও ওষুধ বন্ধ করলে মূল রোগের চিকিৎসায় সমস্যা তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন কোনও ওষুধ দেওয়ার সময় চিকিৎসকদের রোগীকে গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি তীব্র গরমে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কেও জানানো উচিত। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, একাধিক ওষুধ গ্রহণকারী এবং দীর্ঘ সময় গরম পরিবেশে থাকা মানুষের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

গরমের মৌসুমে তাই নিয়মিত ওষুধ গ্রহণকারীদের নিজের শরীরের পরিবর্তনের দিকে বাড়তি নজর রাখা জরুরি। অস্বাভাবিক ঘাম, মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, বিভ্রান্তি বা শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত। আর কোনও ওষুধের ডোজ কমানো, বাড়ানো বা বন্ধ করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বিশেষ সতর্কতা: প্রতিবেদনটি সাধারণ স্বাস্থ্যতথ্যের জন্য। এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা গরমে তার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ থাকলে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

সূত্র: বিবিসি