সাধারণ শাড়িতেও ফ্যাশনেবল লুক পেতে সাজে রাখুন ৫ নতুন কৌশল

আলমারিতে রাখা একরঙা বা সাধারণ শাড়ি দিয়েই তৈরি করা যায় নজরকাড়া সাজ। তার জন্য দামি পোশাকের চেয়ে শাড়ি পরার ধরন, ব্লাউজ, গয়না ও অন্যান্য অনুষঙ্গের সঠিক সমন্বয় প্রয়োজন। বলিউডের তারকারাও অনেক সময় সাধারণ শাড়িকে নানা কায়দায় সাজিয়ে আকর্ষণীয় করে তোলেন। আপনিও চাইলে কয়েকটি সহজ কৌশলে পরিচিত শাড়িতেই আনতে পারেন আধুনিকতার ছোঁয়া।

১. নজর কাড়ুক ব্লাউজ

এক রঙের শাড়ির সঙ্গে নকশাদার ব্লাউজ় পরলে সাজে সহজেই বৈচিত্র্য আসে। ডিপ-ব্যাক, হাই-নেক, সিকুইনের কাজ করা কিংবা বাহারি হাতার ব্লাউজ় বেছে নিতে পারেন। শাড়ির রং ও কাপড়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্লাউজ নির্বাচন করলে সাধারণ পোশাকেও তৈরি হবে আকর্ষণীয় লুক।

২. কোমরে বেল্টের ছোঁয়া

শাড়ির সঙ্গে সরু ধাতব বেল্ট বা নকশা করা বেল্ট পরলে সাজে যোগ হতে পারে আধুনিকতার ছোঁয়া। এতে শাড়ির ড্রেপিংও সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে। তবে বেল্টের রং ও নকশা এমন হওয়া ভালো, যা শাড়ির সৌন্দর্যকে ছাপিয়ে না যায়।

৩. শাড়ির সঙ্গে ট্রাউজার

প্রচলিত ধাঁচের বাইরে গিয়ে শাড়ির সঙ্গে পেনসিল প্যান্ট বা জিন্‌স পরার চলও রয়েছে। এই ধরনের স্টাইলিংয়ে পোশাকে আসে সমসাময়িক ফ্যাশনের ছাপ। যারা সাজে নতুনত্ব পছন্দ করেন, তারা এই কায়দায় শাড়ি পরার পরীক্ষা করতে পারেন। তবে শাড়ি ও ট্রাউজারের রং এবং কাপড়ের সমন্বয় জরুরি।

৪. বদলে ফেলুন শাড়ি পরার ধরন

একই শাড়ি ভিন্নভাবে পরলে সাজের চেহারাও বদলে যায়। পরিচিত ড্রেপিংয়ের বদলে বেছে নিতে পারেন কাঁধে আলাদা ভঙ্গিতে আঁচল রাখা কিংবা কোমরের কাছে ভিন্নভাবে শাড়ি জড়ানোর কৌশল। অনলাইনে বিভিন্ন ড্রেপিংয়ের ধরন দেখে নিজের শাড়ি ও শরীরের গড়নের সঙ্গে মানানসই স্টাইলটি বেছে নিতে পারেন।

৫. গয়নায় রাখুন ভারসাম্য

সাধারণ শাড়ির সঙ্গে গয়না বাছার সময় ভারসাম্যের দিকে নজর দিন। কানে বড় ঝুমকো পরলে গলায় হালকা গয়না রাখতে পারেন। আবার গলায় ভারী নেকপিস থাকলে কানের সাজ তুলনায় সাধারণ রাখাই ভালো। সব গয়না একসঙ্গে জমকালো না করে একটি অনুষঙ্গকে সাজের মূল আকর্ষণ করে তুলুন।

ফ্যাশনেবল দেখাতে সব সময় নতুন পোশাক কেনার প্রয়োজন নেই। আলমারির পুরনো শাড়ি, মানানসই ব্লাউজ়, পরিমিত গয়না আর একটু স্টাইলিংয়ের কৌশলেই তৈরি হতে পারে সম্পূর্ণ নতুন লুক।