ভাতের সঙ্গে জমবে সুগন্ধি ও ঝালঝাল সবুজ চিংড়ি

চিংড়ির পদ মানেই সব সময় ঝোল বা মালাইকারি নয়। ধনেপাতা, পুদিনা, কাঁচামরিচ, আদা ও রসুনের ঝাঁঝালো মিশেলে তৈরি করা যায় একেবারেই অন্য স্বাদের ‘সবুজ চিংড়ি’। গরম ভাত কিংবা সাদা পোলাওয়ের সঙ্গে এই পদ হতে পারে দুপুর বা রাতের জমজমাট আয়োজন।

চিংড়ি মাছ দ্রুত রান্না হয়ে যায়, আর ঠিকঠাক মশলা মাখিয়ে রান্না করলে অল্প সময়েই তৈরি করা সম্ভব সুস্বাদু এই খাবারটি। সবুজ চিংড়ির বিশেষত্ব হলো এর মশলার মিশ্রণ। ধনেপাতা ও পুদিনার সতেজ গন্ধের সঙ্গে কাঁচামরিচ, আদা ও রসুনের ঝাঁঝ চিংড়ির স্বাদকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

যা যা লাগবে: চিংড়ি মাছ — ২৫০ গ্রাম, ধনেপাতা — ১ মুঠো, পুদিনাপাতা — আধা মুঠো, কাঁচামরিচ — ৩-৪টি, রসুন — ১টি মাঝারি, আদা — কয়েক টুকরো, লেবুর রস — ১ চা চামচ, তেল — প্রয়োজনমতো এবং লবণ — স্বাদমতো।

যেভাবে বানাবেন

চিংড়ি তৈরি: প্রথমে চিংড়ি ভালো করে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। একটি পাত্রে রেখে তাতে লেবুর রস ও সামান্য নুন মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন।

তৈরি করুন সবুজ মশলা: ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, কাঁচামরিচ, আদা ও রসুন একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে মিহি করে নিন। খুব বেশি জল না দেওয়াই ভালো, তাহলে রান্নার সময় মশলাটি মাখা মাখা থাকবে।

চিংড়িতে মশলা মাখান: তৈরি করা সবুজ মশলার একটি অংশ চিংড়ির সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। পাত্রটি ঢেকে প্রায় ১৫ মিনিট রেখে দিন।

এবার রান্না
প্যানে প্রয়োজনমতো তেল গরম করে ম্যারিনেট করা চিংড়িগুলি দিয়ে হালকা করে ভেজে নিন। চিংড়ি বেশি সময় ভাজার প্রয়োজন নেই, নইলে শক্ত হয়ে যেতে পারে।

এর পর বাকি সবুজ মশলাটি প্যানে দিয়ে চিংড়ির সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ঢাকনা দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। কয়েক মিনিট পর ঢাকনা খুলে নেড়ে দিন এবং মশলা ঘন ও মাখা মাখা হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে দিন।

গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন

তৈরি হয়ে গেল ঝটপট সবুজ চিংড়ি। গরম ভাত, সাদা পোলাও কিংবা জিরা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন। ধনেপাতা-পুদিনার সতেজ ঘ্রাণ আর চিংড়ির স্বাদের এই পদ পাতে থাকলে সাধারণ ভাতও হয়ে উঠবে বিশেষ।