ধূসর চরের ধূন

আমি এবং কবিতা

আমি কখনো কবিতা লিখতে পারি না
যদি না শে নিজ থেকা আমার কাছে আসে

শে আসে অনেকদিন পরে পরে
রেগুলার দেখা হয় না
জিগ্যেস করলে বলে, যখন আসি
তোমারে তো পাওয়া যায় না

আমি তখন কিছুই বলতে পারি না

কবিতা বলতে থাকে—
শে মাঝেমধ্যেই আমার কাছে আসে
আইসা খাটের কাছে দাড়ায়া থাকে
আমি কখন ওরে লেইখা নিব
সে-ই অপেক্ষা করে

কিন্তু আমি তখন ঘুমে থাকি
সকালে আমার অফিস আছে


উপবন এক্সপ্রেসে বৃষ্টির সাউন্ড

ভালোবাসা কারে বলে তুমি এখনো বুঝতে পারলা না
ভালোবাসা তা-ই যারে বাতাসের মতো অনুভব করা যায়
যার ঘ্রাণে হৃদয়ে বাইজা ওঠে বাতাসের মতো গুনগুন

ভালোবাসার কোনো মা-বাপ নাই
কিন্তু শে জন্ম দিতে জানে
শে-ও ভানতে পারে ধূসর চরের ধূন

ভালোবাসায় আসা-যাওয়া আছে
একই স্টেশনে চাইলে পরপর তুমি দুইবার
গাড়ি বদলাইতে পারো

চাইলে তুমি ভালোবাসার স্টেশনে
বৃষ্টির নিচে আঁচল বাইধা নাচতে পারো
যেহেতু এইখানে আনন্দই আছে খালি
লজ্জা নাই, বাঁকা চোখে তাকানির ব্যাপারস্যাপার নাই
আর আছে বৃষ্টির তালে
নাচো নাচো নাচো

ভালোবাসার কোনো ইন্সট্রুমেন্ট নাই
কিন্তু ভালোবাসা কাউরে পায়া বসলে হৃদয়ে সেতার বেজে ওঠে