তুমি আসলে কে?
—নিউরনের সংকেত
রক্ত-মাংস, শ্বাস-প্রশ্বাস...
এই যে প্রবহমানতা
শেষ পর্যন্ত কোনো কিছুই তোমার নয়;
ডিম্বাণু আর শুক্রাণুর যুক্ততার পর
জাগরূক এই অস্তিত্ব
কত কত সহযোগিতায়
এই পর্যন্ত এসেছে—
আলো-বাতাস-আহার
কোন জিনিসে তুমি স্বয়ং?
এইসব ভঙ্গুরতা সত্ত্বেও আলোর রেণু
তোমার ভেতরে গ্রথিত আছে;
মহাবিশ্বকে উপলব্ধির উদ্ভাস
রক্ত কণার ভেতর ঘুমিয়ে আছে।
এর মানে হাত বাড়িয়ে
আকাশ ছুঁইতে চাইলেই ছোঁয়া যায়—
যদি পাও তাহলে কী করবে?
অক্ষয়ে-অব্যয়ে-অনন্তে মিশে যাব।