শাপলা ফুলের ঢেউ গুনতে গুনতে
পাট ক্ষেতের দুপুর দেখতে দেখতে
মরমি বাতাসে মাথা দোলাতে দোলাতে
একদিন ঠিক বাঁশির ভেতরে ঢুকে যাবো
তোমাদের জানালার পর্দা ফাঁক করে দেবো।
এই জলজ হাওরে
একা ফোটা ফুলের অন্তরে
নিশ্চিত বেঁচে থাকবো
জন্ম ভাষায় লিখবো।
ভেতরের তরমুজ ক্ষেতে
সোমেশ্বরীর বালিতে
চিকচিক করে হাজং নারীর হাহাকার।
কুমুদিনী হাজংয়ের চোয়াল ভাঙা আহার।
নিজের ভেতরে বড় বড় পাথরের ধাক্কা খেয়ে
কলিজার বিপর্যয়ে
মানব বসতি কিছু উঠে গেছে
ভাষাগোষ্ঠী কিছু মরে গেছে।
কয়েক পয়সায় ভূমিটা
কাঠের চৌকিটা
বিক্রয় হয়েছে।
সাদা খাটিয়ার নিচে
ফুল ফোটানোর ইচ্ছে।
পৃথিবীতে তাই এসেছে টগর
এ ঠান্ডা ভূমিতে সবার আদর।
খুনিদের তাকানোকে ধুইয়ে নিয়েছি
উপসংহার থেকে দূরে একাই হাঁটছি
ফুল ও রোমান্টিকতা ভাসিয়ে দিয়েছি।
নিজের খুলিরে নিজে বাঁচিয়ে রাখবেন সাঁই
পিচ ঢালা নগরীতে দেহরক্ষী নাই।