এর আগে ২৩ এপ্রিল তৃতীয় ধাপের ইউপি ভোট সামনে রেখে শ্রীপুরে এক সদস্য প্রার্থী খুন হওয়ার পর নির্বাচনের দুদিন আগে ২১ এপ্রিল এসপি হারুনসহ দুই ওসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।
পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হারুনকে এরপর পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয় বলে বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আইন অনুযায়ী নির্বাচনের সময় সরকারি কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি ও পদায়নের আগে কমিশনের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু এসপি হারুনের ক্ষেত্রে কমিশনের কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা-২০১০ অনুসারে ২০১৬ সালে গাজীপুর জেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর এ আদেশ কার্যকর করা হবে।
এসপি হারুন প্রত্যাহার হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে নেওয়া সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনাসহ গাজীপুরেই ফিরে যেতে কমিশনে তদবির করেন। গত দুই সপ্তাহে তিনি কমপক্ষে ৪ বার কমিশনের গিয়ে একাধিক কমিশনারসহ কর্মকর্তাদের কাছে ধর্না দিয়েছেন। তবে কমিশন থেকে তিনি কোনও ইতিবাচক সাড়া পাননি বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, আগামী ৭ মে ৪র্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গাজীপুরে জেলায় নির্বাচন রয়েছে। এ ধাপে জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার ৭টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া নির্বাচনী আইন অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা থেকে গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত নির্বাচনি সময় বলে বিবেচিত হয়। গত ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ৩য় ধাপের নির্বাচনের গেজেট এখনও প্রকাশ হয়নি বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: সন্দেহভাজন ৫ জনকে ধরেনি, যাদের ধরেছে তারা জড়িত নয়: বন্যা (ভিডিও)
ইএইচএস/এজে