অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীসহ অন্যান্য সিটির মেয়র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা রমজান মাসে তাদের সেবামূলক কার্যক্রম মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে ৯০-৯৫ শতাংশ মানুষ রোজা রাখেন, তাদের যাতে কষ্ট না হয়। নাগরিক সেবা বাড়াতে ওয়াসাকে একটা কন্ট্রোল রুম খুলে এ বিষয়ে টেলিভিশনে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সবাইকে জানানোরও নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
প্রতিদিন নগরীর কোনও না কোনও এলাকায় পানির স্বল্পতা দেখা দিচ্ছে জানিয়ে ওয়াসা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, পানির লাইনের বাইরে অন্যভাবে পানি বিক্রি বন্ধ করতে হবে। পানির কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে পানি বিক্রি বন্ধ করতে হবে। রমজানে পানি না থাকা মানে গর্হিত অন্যায়। এটা ওয়াসার গুরু দায়িত্ব, পানির সাপ্লাই নিশ্চিত করতে হবে। পানি নিয়ে ব্যবসা করা ঠিক হবে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, রাস্তায় ইট, বালু, রড, সুড়কি ও অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখা যাবে না। রাস্তার গর্ত ও নর্দমা বন্ধ করতে হবে। জনগণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে নগর এলাকার রাস্তার নির্মাণ কাজ ঈদের দশদিন আগে থেকে বন্ধ রাখতে হবে। এসময় রোজাদারদের জন্য ভেজালমুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি করতে হবে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার কথাও বলেন তিনি।
/ওএফ/এমও/