পররাষ্ট্র্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে হলে বাংলাদেশের জ্বালানি দরকার এবং সে আলোকে ভারতের প্রস্তাবগুলি আমরা বিবেচনা করছি। কোনও প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি মীমাংসা হয়না, বরং এটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করে জাতীয় স্বার্থ বজায় রেখে কিভাবে আলোচনা এগিয়ে নেয়া যায় সেটি ঠিক করতে হয় বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস প্রতিমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান গত এপ্রিলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে ঢাকায় আসেন এবং এটি নিয়ে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তার বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কর্মকর্তাটি আরও জানান, আসামের নুমালিগড় থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার লম্বা পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল সরবরাহ করার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক গত বছরের এপ্রিলে স্বাক্ষরিত হয়েছে। কিন্তু এখনও কিভাবে এ পাইপলাইন করা হবে, কে কতটুকু খরচ বহন করবে এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক ও টেকনিক্যাল বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।
এর মধ্যে, ভারত গত মার্চে ট্রেনের মাধ্যমে ২২০০ মেট্রিক টন তেল সরবরাহ করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেকজন কর্মকর্তা বলেন বাংলাদেশের বিপিসি এবং ভারতের আইওসিএল একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে যার মাধ্যমে চট্টগ্রামে একটি এলপিজি টার্মিনাল স্থাপন, এর বিপনন এবং এখানকার এলপিজি পরিবহনের মাধ্যমে ত্রিপুরা নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা সম্ভব।
তিনি বলেন, এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং এটি নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করে এর বাস্তবায়ন করতে হবে। এছাড়া ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণের জন্য ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেড নামের একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে এবং এটি নিয়েও আলোচনা চলছে।
আরও পড়ুন: পরিবার থেকে দীর্ঘদিন ‘বিচ্ছিন্ন’ ছিল মুকুল রানা
‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত যুবক শরিফুল না, মুকুল
/এসএসজেড/এমও/