এদিকে এ ঘটনা পর ৭৯ নাম্বার সড়কের প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেওয়ায় পাশের লেক ভিউ ক্লিনিকটিও বন্ধ রাখা হয়েছে। আর এ এলাকার বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের সময় রাস্তার মুখেই তাদের জিজ্ঞাবাদ করা হচ্ছে। ফলে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।
৭৯ নাম্বার সড়কের প্রবেশ পথেই বড় বড় গাছ আছে। গাছে সিসি ক্যামেরা লাগানো ছিল। কিন্তু ডালপালায় ক্যামেরা গুলো ঢেকে পড়েছিল। আজ সোমবার (৪ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে ডাল পালা কাটা হয়। এ সময় এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, সিসি ক্যামেরা গাছের ডালে ঢাকা থাকলে নিরাপত্তা কিভাবে নিশ্চিত হবে। আজ এগুলো কেটে কোনও লাভ নেই।
ঘটনাস্থলে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন ট্রান্সকম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কোম্পানির জেনালে ম্যানেজার কাজী মো. জাফরউল্লাহর দুই মেয়ে ও তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার।
তিনি বলেন, ফারাজ খুবই ভাল ছেলে ছিল। সে এভাবে মরে গেল, আমার আর কিছুই বলার নেই।
শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন অপরাজেয় বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ওয়াহিদা বানু সংগঠনের ২২ জন পথ শিশু নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, এ প্রজন্ম কেন অন্ধকারে থেকে যাবে। ওই অন্ধকারকে আলো দিয়ে সাজাতে হবে। সরকার এ বর্বর ঘটনায় যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করবে। এ স্বাধীন দেশে যেন এমন ঘটনা না ঘটে।
অন্যদিকে, ঘটনার চতুর্থ দিনেও দেখা যায় শ্রদ্ধা নিবেদনের বেদিতে আজও ফুলে ফুলে জায়গাটি ভরে ওঠে। পাশে জ্বলছে বেশ কয়েকটি মোমবাতি। তবে বাতাসের দমকা হাওয়ায় মোমবাতি যখনই নিভে যাচ্ছে, তখনই সেটি আবার জ্বালিয়ে দিচ্ছেন শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা মানুষরা।
/জেএ/এসএনএইচ/এপিএইচ/
আরও পড়ুন: