স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী নাবিল বলেন, খুলনা বিভাগের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যশোর জেলায় অনেক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অনেক প্রতীক্ষার পরে যশোর মেডিক্যাল কলেজ তার নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাচ্ছে। যশোর পৌরসভা এলাকার বাইরে চাঁচড়া ইউনিয়নের শংকরপুর হরিণার বিলে অবস্থিত স্থায়ী ক্যাম্পাসে মেডিক্যাল কলেজের কার্যক্রম গত ১২ জুলাই থেকে শুরু হয়ে গেছে। কলেজে ইন্টার্নিসহ ৫টি ব্যাচে মোট ৩’শ শিক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে ৮৮ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেবেন। কলেজের ছাত্ররা ইতোমধ্যে হোস্টেলে ওঠতে শুরু করেছেন। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে মেয়ে শিক্ষার্থীরা এখনও সেখানে ওঠেননি।
তিনি বলেন, যশোর মেডিক্যাল কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাস এলাকাটি নির্জন ও জনমানবহীন। এখানে সব সময় দুর্বৃত্তরা আনাগোনা করে। বিভিন্ন স্থানে খুনখারাবি করে লাশ যেখানে সেখানে ফেলে যায়। এ নিয়ে বহুদিন ধরে এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। তাই ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা ও জনসাধারণের নির্বিঘ্ন বসবাসের জন্য জরুরিভিত্তিতে হরিণার বিলে একটি স্থায়ী বা অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প অথবা সরকারিভাবে আনসার ব্যাটালিয়ন নিয়োগ করা প্রয়োজন। বিষয়টি জনগুরুত্বপূর্ণ বিধায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করছি।
আরও পড়ুন-
জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আবারও সবাইকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী
জামালপুরের ৩ রাজাকারের ফাঁসি, ৫ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড
/ইএইচএস/এফএস/