আইজিপি বলেন, আমরা যেকোনও সময় প্রয়োজন হলেই হাসনাত করিমকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবো।
এদিকে হাসনাত করিম ও তাহমিদ হাসিব খানের অবস্থানের বিষয়ে সোমবার (১ আগস্ট) কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, হয়তো যেকোনও কারণে তারা বাসায় অবস্থান না করে অন্য জায়গায় অবস্থান করছেন। তারা কোথায় আছেন, এটা মোটামুটি আমাদের ধারণায় রয়েছে। আমাদের ওয়াচের মধ্যেই আছে, সার্ভেইলেন্সের ভেতরেই রয়েছে।
মনিরুল ইসলাম বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। তাদের আবারও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে। জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাদের আবারও আনা হবে। তারা আসবেন বলেও আমাদের কথা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ দেশি-বিদেশি ২২ নাগরিক নিহত হন। পরে সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে ৬ জঙ্গি নিহত হয়। যদিও নিহত এক জঙ্গিকে ওই রেস্টুরেন্টের শেফ বলে দাবি করেছে তার পরিবার ও রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ। অভিযানের পর ওই রেস্টুরেন্ট থেকে ৩২ জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত জিম্মিদের মধ্যে হাসনাত করিমের রহস্যজনক আচরণের কারণে তাদের গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ঘটনার কয়েকদিন পর হাসনাতকে ছেড়ে দেওয়ার কথা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হলেও তাদের অবস্থান জানা যায়নি।পরিবারের সদস্যরাও তার অবস্থান নিয়ে পরিষ্কার কোনও কথা বলছেন না।
হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর একজন কোরিয়ান নাগরিকের গোপনে ধারণ করা ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর হাসনাত করিমের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলতে থাকে। ঢাকার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষকের নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। হলি আর্টিজানের জিম্মি ঘটনায় তাকে জঙ্গিদের কয়েকজনের সঙ্গে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে হাঁটতে ও কথা বলতে দেখা গেছে।
আরও পড়ুন-
মেজর জিয়া ও তামিম চৌধুরীকে ধরিয়ে দিতে ৪০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা
আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারাও
/জেইউ/এআর/এফএস/