রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান রয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার এখতিয়ার একমাত্র নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে আলোচনার জন্য স্পিকারের কাছে সময় চাইবে নির্বাচন কমিশন।
রবিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক বৈঠক শেষে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
আখতার আহমেদ বলেন, নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। সেই মোতাবেক ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন সিইসি এ এমএম নাসির উদ্দিন।
এর আগে সিইসির দফতরে সব নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব বৈঠক করেন। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনি দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।
আইন অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। এজন্য সংসদ সচিবালয় সংসদ সদস্যদের নামের তালিকা ইসিতে পাঠালে ভোটার তালিকা করবে ইসি। পরবর্তী সময়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি ছিলেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি। জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগ জমা দেন তিনি। ‘রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ’ শীর্ষক পদত্যাগপত্রটি তিনি লিখেছেন রাষ্ট্রপতির অফিসিয়াল প্যাডে। সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছেন বলে জানিয়েছেন সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।









