লতিফুল হোসাইন জানান, মার্কেটের লেভেল-৬’এর শতাধিক দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া পানির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সপ্তম তলার কিছু দোকানও। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকালে ফায়ার সার্ভিস বিপণিকেন্দ্রটি তাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তিনি জানান, দোকান মালিকদের আস্তে আস্তে মার্কেটে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
বসুন্ধরা সিটিতে নিয়মিত আগুনের মহড়া হয় কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালে একবার করেছি। ২০১৫ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে করা সম্ভব হয়নি। ২০১৬ সালেও সুযোগ আসেনি।’
দোকান মালিক সমিতির সভাপতি এমএ হান্নান আজাদ বলেন, আগুন লাগার পেছনে বসুন্ধরা গ্রুপের কোনও গাফিলতি নেই।
/এআরআর/এআরএল/
আরও পড়ুন: