অপারেশন ‘হিট স্ট্রং-২৭’ বিষয়ে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরী ও তার দুই সহযোগীর এখানে মৃত্যু হয়েছে। তাদের পরিচয় পরে জানানো হবে। ধারণা করছি তামিম চৌধুরীর সবেচেয়ে বড় সহযোগীরও এখানে মৃত্যু হয়েছে। আমরা মনে করি তামিম চৌধুরীর চ্যাপ্টার এখানেই শেষ হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা হুজুগে চলি না। আমরা সবকিছু তদন্তের ভিত্তিতে কাজ করে থাকি। আমরা যেটা বাস্তব সেটা নিয়েই কাজ করি। বাস্তবতা হলো জঙ্গিরা সংখ্যায় খুব অল্প। তারা জনবিচ্ছিন্ন। আমাদের জনগণ এদের কোনও আশ্রয় প্রশ্রয় দেয় না। বাকিদেরও আমরা দ্রুত ধরতে সক্ষম হবো।
তামিম চৌধুরীর মৃত্যুতে তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জীবিত অবস্থায় থাকলে তারা তথ্য দেবে কিনা এই নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। আমাদের গোয়েন্দারা কাজ করছে। তাদের কাছে সঠিক তথ্য রয়েছে।
প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া বড় কবরস্থান এলাকায় শনিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের সদস্যরা। অভিযানে গুলশান হামলার মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরীসহ তিন জঙ্গি নিহত হয়।
আরও পড়ুন:
গুলশান হামলার মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরীসহ তিন জঙ্গি নিহত (ভিডিও)
নারায়ণগঞ্জে একটি বাড়িতে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে পুলিশের অভিযান
/এনএস/এফএস/