গুলশান ও শোলাকিয়াসহ বিভিন্ন জঙ্গি হামলার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে চিহ্নিত তামিম আহমেদ চৌধুরী পুলিশের আশঙ্কা থাকলেও নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত চেহারায় কোনও পরিবর্তন আনেনি।
এ পর্যন্ত গণমাধ্যমে পুলিশের পক্ষ থেকে তার মুখাবয়বের যেসব ছবি প্রকাশিত হয়েছে তাতে তার মুখে ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি দেখা গিয়েছিল। সেসময় পুলিশের পক্ষ থেকে আশঙ্কা করা হয়েছিল দাড়ি কেটে বা গোঁফ রেখে চেহারার পরিবর্তন এনে লুকিয়ে থাকতে পারে সে। তবে তামিম আত্মগোপনে থাকলেও নিজের চেহারায় কোনও পরিবর্তন আনেনি।
অপারেশন হিট স্ট্রং-২৭ এ নিহত হওয়ার পর তার মরদেহের যে ছবিটি আজ পুলিশ প্রকাশ করেছে তাতে তামিম চৌধুরীর চেহারায় কোনও পরিবর্তন দেখা যায়নি। আগের মতোই তার মুখে ফ্রেঞ্চ কাট দাড়িই রয়েছে। পরনে ছিল বেল্টসহ গ্যাভার্ডিন প্যান্ট ও নেভি ব্লু টি-শার্ট। চেহারাতে বিশেষ কোনও পরিবর্তন দেখা যায়নি।
আজ শনিবার নারায়ণগঞ্জে পুলিশের অপারেশন হিট স্ট্রং-২৭ অভিযানে দুই সহযোগীসহ নিহত হয় জঙ্গি তামিম চৌধুরী। এ অভিযান শেষে আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক ঘটনাস্থলে এসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিযান শেষে ভিতরে গিয়ে দেখি, তিনজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তারমধ্যে তামিম চৌধুরীর যে ছবি আমাদের কাছে রয়েছে সেই ছবির সঙ্গে নিহত এক জঙ্গির ছবি হুবহু মিলে গেছে।’
উল্লেখ্য, গুলশান ও শোলাকিয়াসহ সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে তামিম আহমেদ চৌধুরী ও সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর সৈয়দ জিয়াউল হককে ধরিয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা করে ৪০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। সেসময় পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের আসল ছবিসহ তারা আত্মগোপনে গিয়ে সম্ভাব্য যেসব রূপ ধারণ করতে পারেন সে ধরনের আরও কয়েকটি ছবি প্রকাশ করা হয়।
/জেইউ/টিএন/
আরও পড়ুন: