অবশেষে ‘ধর্ষক’দের হাতে হাতকড়া

হাতকড়া ছাড়া ও পরা অবস্থায় দুই আসামি

বনানীতে দুই তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফের হাতে অবশেষে হাতকড়া পরানো হলো। সিলেট থেকে গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত ছবিতে তাদের হাতে হাতকড়া পরানো ছিল না। তবে রাজধানীর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয় থেকে আদালতে নেওয়ার পথে তাদের হাতে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখা গেছে।

এ ধরনের আসামিদের হাতকড়া না পরানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তাদের বিশেষ কোনও সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কিনা তা নিয়েও নানাজনে প্রশ্ন করেন।

হাতকড়া না পরানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) জেদান আল মুসা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যে ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলা হচ্ছে তাদের হাতে হাতকড়া নেই, সেটি অপারেশনাল ছবি নয়। যখন তাদের অফিসিয়ালি গ্রেফতার করা হয় তখন তাদের হাতে হাতকড়া লাগানো হয়।’

প্রসঙ্গত, ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে ৬ মে বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই শিক্ষার্থী। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৮ মার্চ পূর্বপরিচিত সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওই দুই তরুণীকে জন্মদিনের দাওয়াত দিয়ে বনানীর ‘কে’ ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে রেইনট্রি নামের হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে দুই তরুণীকে হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। এ ঘটনা সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিও করানো হয় বলেও উল্লেখ করা হয় এজাহারে। ধর্ষণ মামলার আসামিরা হলো, সাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

/জেইউ/ইউআই/এসটি/

আরও পড়ুন:

সাফাত ও সাদমানকে জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ

নিজেদের লুকাতে ‘ধর্ষক’দের আয়নাবাজি!

প্রযুক্তির জালে আটকা পড়ে সাফাত ও সাদমান

 

দিনমজুরের ছেলে হালিম যেভাবে নাঈম আশরাফ

যে বাড়িতে আত্মগোপনে ছিল সাফাত ও সাদমান

পলাতক থেকেও সক্রিয় ছিল ধর্ষণ মামলার আসামিরা