সুইডিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রটোকল কর্মকর্তা ক্লাস মলিন, সুইডেনে নিযুক্ত বাংলদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম সারোয়ার এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান ফ্রিসেল প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সুইডিশ সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে মোটর শোভাযাত্রা সহ প্রধানমন্ত্রীকে গ্র্যান্ড হোটেলে পৌঁছে দেওয়া হয়। সফরকালে তিনি এই হোটেলেই অবস্থান করবেন। হোটেলে আওয়ামী লীগের ইউরোপীয় নেতারা তাকে স্বাগত জানান।
লন্ডনে ২৪ ঘণ্টার যাত্রাবিরতি করে স্টকহোমে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১৩ জুন) ঢাকা থেকে রওনা দেন তিনি। সুইডেনে বাংলাদেশের কোনও সরকার প্রধানের এটিই প্রথম সফর। প্রধানমন্ত্রী সুইডেনের স্টিফেন লোফভেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। বৈঠকে তিনি ৪৭ সদস্যের ব্যবসায়ীসহ একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন।
এছাড়া সুইডেনের পার্লামেন্ট পরিদর্শন ও ভারপ্রাপ্ত স্পিকার তোবিয়াস বিলসট্রোমের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। স্টিফেন লোফভেনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক ও ভোজসভার আগে রয়্যাল ক্যাসলে সুইডেনের রাজা ষোড়শ কার্লের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে তার।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংবর্ধনা এবং ১৬ জুন বাংলাদেশ-সুইডেন বিজনেস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের বৈঠকে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তার সঙ্গে এইচ অ্যান্ড এম-এর সিইও কার্ল-জোহান পারসন এবং ইনভেস্টরের প্রেসিডেন্ট জ্যাকব ওয়ালেমবার্গ, ইনভেস্টরের ভাইস প্রেসিডেন্ট মারকাস ওয়ালেনবার্গ এবং এবিবি সুইডেনের জন সোডারস্টর্মের সঙ্গে বৈঠক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিন দিনের সুইডেন সফর শেষে ১৭ জুন লন্ডন হয়ে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সূত্র: বাসস।
/এসএস/এফএস/
আরও পড়ুন-