জর্জ কোচেরি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের জানিয়েছেন, এই সহিংসতায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হাতে তিন হাজারের মতো রোহিঙ্গা মারা গেছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রোহিঙ্গাদের সহায়তা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন।’
কূটনৈতিক ব্রিফিং শেষে যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জোয়েল রিফম্যান জানান, কফি আনানের নেতৃত্বে রাখাইন পরামর্শক কমিশনের রিপোর্টের বাস্তবায়ন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। সিনেটে রোহিঙ্গা বিষয়ে একটি রেজুলেশন গৃহীত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত বিবৃতি দিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত জুলিয়া নিব্লেট বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া সহায়তা দিয়েছে এবং সহায়তা দেবে।’ কফি আনান কমিশনের রিপোর্টের পূর্ণ বাস্তবায়ন চায় অস্ট্রেলিয়া।’
নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মেরেতো লুনডেমো বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন। কফি আনান কমিশনের রিপোর্টের পূর্ণ বাস্তবায়ন চায় নরওয়ে।’
প্রসঙ্গত, গত ২৪ আগস্ট থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ করেন পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা।
রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় রাখতে দুই হাজার একর জমি নির্ধারণ
রোহিঙ্গাদের হত্যা করে মানবতাকে ভূলুণ্ঠিত করা হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী