তিনি বলেন, লাশ ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিস্তারিত জানানো হবে। এজন্য হতাহতদের স্বজনদের নেপালে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হতে বলেছেন তিনি।
এদিকে, নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের লাশ দেখতে না দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকটা বডি (মৃতদেহ) দেখেছি। এসব মৃতদেহের প্রায় ৮০ ভাগই পুড়ে গেছে। তাদের আইডেন্টিফাই করা কঠিন হবে। লাশগুলোর অবস্থা খুবই হরিবল (ভয়ঙ্কর)। তাই সেগুলো দেখতে দেওয়া হচ্ছে না।’
প্রসঙ্গত, সোমবার চারজন ক্রু ও ৬৭ যাত্রী, সব মিলিয়ে ৭১ জন আরোহী নিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে পৌঁছায়। অবতরণের সময় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর বিমানবন্দরের কাছেই একটি ফুটবল মাঠে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৫১ জন নিহত হয়েছেন। আহত আটজন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
ছবি: রাজীব ধর
আরও পড়ুন:
লাশ হস্তান্তরে দীর্ঘসূত্রিতার আশঙ্কা, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলো ইউএস বাংলা