গত সোমবার (১২ মার্চ) চার ক্রু ও ৬৭ যাত্রীসহ মোট ৭১ জন আরোহী নিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর দু’টা ২০ মিনিটে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে পৌঁছায়। অবতরণের সময় উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর বিমানবন্দরের কাছেই একটি ফুটবল মাঠে সেটি বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫০ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিক ২৬ জন।
নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা কমিশনের দু’জন অফিসার সেই বিমানে সেমিনারে যাচ্ছিলেন। আমরা তাদের হারিয়েছি। সিআরআই (সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন)-তে কাজ করছিল একজন, তিনিও মারা গেছেন। এছাড়া পরিচিত অনেকেই সেদিনের দুর্ঘটনার কারণে দুনিয়াতে নেই। যারা আহত তাদের কয়েকজনের অবস্থা খুবই খারাপ। এমন খারাপ যে, তাদের সেখানে থেকে আনারও সুযোগ নেই। সেখানে যা কাজ করার, চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা আরও কী করতে পারি, আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নেপাল এয়ারপোর্ট এখন দুর্ঘটনাকবলিত এলাকা।’