মাইক্রোবাস-পিকআপের ড্রাইভাররা এখন চালাবেন বাস-ট্রাক

 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রণালয়দেশে চলমান পরিবহন চালক সংকট দূর করতে হালকা পরিবহনের (মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, সিএনজি) জন্য লাইসেন্সধারী চালকদের মাঝারি ও মাঝারি পরিবহনের (মাইক্রোবাস-পিকআপ) জন্য লাইসেন্সধারী চালকদের ভারী যানবাহন (বাস-ট্রাক-লরি) চালানোর অনুমতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মো. কামরুল আহসান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন সংশ্লিষ্টদের জ্ঞাতার্থে সোমবার (২৭ আগস্ট) বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৮ আগস্ট ‘চালক সংকট: ভারী পরিবহন চালানোর অনুমতি পাচ্ছেন মাঝারি লাইসেন্সধারীরা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করে বাংলা ট্রিবিউন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশে ভারী ও মধ্যম শ্রেণির মোটরযানের তুলনায় ভারী ও মধ্যম মানের ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী চালকের সংখ্যা অপ্রতুলতার কারণে যাত্রী ও পণ্যবাহী মোটরযানের স্বাভাবিক চলাচল অব্যাহত রাখার স্বার্থে সরকারে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যাদের হালকা মোটরযান চালনার বৈধ পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে এবং ওই লাইসেন্সের মেয়াদ ন্যূনতম একবছর পার হয়েছে, তারা মধ্যম শ্রেণির মোটরযান সংযোজনের জন্য সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে মধ্যম শ্রেণির মোটরযান চালনায় বৈধ পেশাদার ড্রাইভং লাইসেন্সধারীরা ভারী মোটরযান সংযোজনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে ড্রাইভিং লাইসেন্সে মধ্যম বা ভারী মোটরযান সংযোজনের ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রচলিত বিধিবিধান অনুসরণ করা হবে। এই নির্দেশনা এই বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখ পর্যন্ত সময়ে সর্বনিম্ন একবছরে মেয়াদি হালকা মোটরযান চালনার পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা মধ্যম শ্রেণির মোটরযান এবং সর্বনিম্ন একবছর মেয়াদি মধ্যম মোটরযান চালনার পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা ভারী শ্রেণির মোটরযান চালাতে পারবেন। ওই সময়সীমার পর এর কার্যকারিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।

মোটরযান চালনানোর ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন, সাইন-সিগন্যাল, বিধি-বিধান ও প্রচলিত সরকারি নিয়ম-নীতি ও নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করার কথাও বলা হয়েছে।