বঙ্গবন্ধু একটি আদর্শের নাম: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি আদর্শের নাম। বঙ্গবন্ধুকে যত বেশি জানা যাবে ততবেশি উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় কমিটেড হওয়া যাবে। এদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতে হবে।’
জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার চলমান সংগ্রামে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের দায়িত্ব অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে। চলমান অগ্রগতির ধারাবাহিকতা না থাকলে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এমন একজন নেতা ছিলেন, যিনি সুনির্দিষ্টভাবে একটি ভূখণ্ডকে চিহ্নিত করতে পেরেছিলেন। তিনি একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে তোলার জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছিলেন। জাতির পিতার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন চিন্তার ফসল এই উপমহাদেশের একমাত্র ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র হচ্ছে বাংলাদেশ।’
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু চিরকাল শোষিতের পাশে দাঁড়িয়েছেন। একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে ১৯৭৩ সালে তিনি আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়নের সদস্যপদ অর্জন এবং ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বহির্বিশ্বের কানেকটিভিটি স্থাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার মোবাইল ফোনের মনোপলি ব্যবসা বন্ধ এবং কম্পিউটারের ওপর থেকে ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার না করলে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কথা ভাবাই যেত না। খবর বাসস।