রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা যখন লজিস্টিকের কথা বলি, তখন এর সঙ্গে জড়িত থাকে রোড, রেল, এয়ার, ইনল্যান্ড ও মেরিটাইম চলাচল ব্যবস্থা। এর একটি অন্যটির সঙ্গে জড়িত কিন্তু প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে থাকে।’
উদাহরণ হিসেবে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা যদি একটি তৈরি কাপড়ের কথা বিবেচনা করি, তবে দেখবো এটি শুরু হয় কাচামাল সংগ্রহের মাধ্যমে।’ তিনি আরও বলেস, ‘কাঁচামাল যদি দেশীয় হয়, তবে সড়কপথে যদি বিদেশ থেকে আসে, তবে সমুদ্রপথ বা সড়কপথ বা রেলওয়ের মাধ্যমে তা ফ্যাক্টরিতে পৌঁছে থাকে।একইভাবে তৈরি পোশাকও তার চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছায়।’
রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, ‘এই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কারণে বেসরকারি খাত প্রচুর অর্থ বাড়তি খরচ হয়। এই শূন্যতাটি পূরণের চেষ্টা করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আগামী অক্টোবরে দক্ষিণ এশিয়া মেরিটাইম অ্যান্ড লজিস্টিক ফোরাম অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছি, যেখানে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি নেতা ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন। আমরা মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত প্রথম দক্ষিণ এশিয়া মেরিটাইম অ্যান্ড লজিস্টিক ফোরাম অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলাম, যেখানে সবার জন্য একগুচ্ছ সুপারিশ তৈরি করা হয়েছিল।’
বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান এই রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি খাত—উভয় একমত যে, দুই পক্ষের মধ্যে একটি সম্পর্ক তৈরি মাধ্যমে অর্থনৈতিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে।’