তিনি বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক উপায়ে বিএনপি আন্দোলন করতে পারে। কিন্তু আন্দোলনের নামে কোনও বিশৃঙ্খলা করলে, মানুষের গায়ে হাত দিলে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে। এজন্য আওয়ামী লীগ প্রস্তুত রয়েছে। আপনারা প্রস্তুত থাকুন, প্রয়োজনে ডাক দেওয়া হবে।’
শুক্রবার (৩১ আগস্ট) মহানগর নাট্যমঞ্চে ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে শাহবাগ থানা ২০নং ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সাঈদ খোকন আরও বলেন, ‘জাতির জনক মাঝে মধ্যে আমাদের বাসায় আসতেন। তিনি আমার বাবাকে পড়াতেন। তিনি আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি নামে একটি প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করতেন। এই দায়িত্ব ছিল অনেকটা ছদ্মবেশীর মতো। বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে এর অফিস ছিল। মূলত তিনি সেখান থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করে মুক্তি সংগ্রামের প্রস্তুতি নিতেন। তিনি সেখান থেকে যে সম্মানী পেতেন তা ৩২ নম্বরের বাসায় আমার বাবার হাতে তুলে দিয়ে একটু চিরকুট লিখে দিতেন। এতে বিভিন্ন জেলা উপজেলার নেতাকর্মীদের নাম লেখা থাকতো। এই এভাবেই দল পরিচালনা করতেন।’
মেয়র আরও বলেন, ‘নতুন যে জোট হয়েছে সেটা বিএনপির নতুন ষড়যন্ত্রের জন্য বিকল্প জোট। তবে যত ষড়যন্ত্রই হোক, সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা হবে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে পুনরায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে অর্থনৈতিক মুক্তি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। এটা সবার দায়িত্ব। ব্যবসায়ীসহ সবার প্রতি আমি আহ্বান জানাই, এ দায়িত্বটা আপনারা পালন করবেন।’
সড়কের চিত্র তুলে ধরে মেয়র বলেন, ‘সড়কে যেসব ঘটনা ঘটছে সেগুলো অত্যন্ত হৃদয়বিদায়ক। আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়। আজ নিরাপদ সড়কের দাবি শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, এ দাবি ১৬ কোটি মানুষের। সরকার সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি আমাদেরও সচেতন হতে হবে।’
ব্যবসায়ী সমন্বয় পরিষদের নেতা আবজাল হোসেন এমপির সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম আতিকুর রাহমান, সাধারণ সম্পাদক এমএ হাসিদ খান, ৩৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল আওয়াল, ব্যবসায়ী নেতা শাজাহান মিয়া প্রমুখ।