বাংলাদেশে সফররত সভেন মিকসার এস্তোনিয়ার ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সাক্ষাৎকালে তারা সংসদীয় কার্যক্রম, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য, রোহিঙ্গা ইস্যু এবং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নসহ দু’দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
স্পিকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এরই মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করেছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সব সূচকে বাংলাদেশ এখন শক্ত ভিতের ওপর অবস্থান করছে। বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হবে।’
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট থেকে ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীতকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। বর্তমান সরকার রাজস্ব খাতে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করায় দারিদ্র্যতার হার গত ১০ বছরে ৪০-২২ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা ও আইটি পার্ক প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
স্পিকার এস্তোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
এস্তোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশাল জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে অতি স্বল্প সময়ে তথ্য ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে অব্যাহত সমর্থন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগেরও আশ্বাস দেন।
সভেন মিকসার তাঁর দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন। সরকার পরিচালনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা বিশেষ করে নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করা সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত এস্তোনিয়ার কনস্যুল সাঈদ ফারহাদ আহমেদ এসময় উপস্থিত ছিলেন। খবর বাসস।