খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অধীনেই সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সরকার নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করবে। জনগণ রায় দেবে।’
অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ‘হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন গণতন্ত্রের মানসপুত্র আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলেন গণতন্ত্রের মানসকন্যা।’ তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা এদেশের মানুষের মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করেছেন। বাংলাদেশকে এখন বহির্বিশ্বে সমীহের চোখে দেখে।’
পাকিস্তান আমলে বারবার এদেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সেই পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল তারা আবার নতুন করে দেশের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তারা দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চায়, নির্বাচন বানচাল করতে চায়।’
অরুণ সরকার রানার সঞ্চালনায় ও চিত্ত রঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল, আওয়ামীলীগ নেতা বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।