তিনি জানান, জৈবিক বিশ্লেষণের জন্য এসব মাছের তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
এক সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে জলদস্যুরা ধরা পড়ার পর নিজেদের মৎস্যজীবী পরিচয় দিয়ে থাকে। এ কারণে আমরা মৎসজীবীদের চিহ্নিত করতে পরিচয়পত্র দিচ্ছি। যে জেলেরা ইলিশ শিকার করেন ইলিশ মাছ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে তাদের ওই পরিচয়পত্র দেখে ৪০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।