‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এপিঠ-ওপিঠ’ শীর্ষক বৈঠকিতে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের আয়োজনে মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে চলছে বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি।
রাজধানীর শুক্রাবাদে বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিও থেকে এ আয়োজন সরাসরি সম্প্রচার করছে এটিএন নিউজ। পাশাপাশি বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক ও হোমপেজে লাইভ দেখা যাচ্ছে বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি।
তিনি আরও বলেন, ‘আইনটিতে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হবে সাংবাদিকরা। এমন আশঙ্কাই তৈরি হয়েছে। কারণ, ৫৭ ধারা দিয়ে সেটা অনেকটাই বোঝা গেছে। ফলে ৩২ ধারারও অপপ্রয়োগ হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, অতীত ইতিহাস তাই বলে। আর তাই নতুন করে এই প্রশ্নের তৈরি হয়েছে। ফলে এমন কোনও সুযোগ রাখা উচিত— যাতে পুলিশ বা অন্য কেউ ইচ্ছা করলেই এর অপ্রপোয়গ না করতে পারে। কিন্তু, আমার প্রশ্ন এখন সময়টা ডিজিটাল সময় অথচ ৩২ বছর আগের ধারা নতুন করে আনা হলো। বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিল রেখে আইনটি হওয়া উচিত ছিল।’
মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা এবং বেসরকারি টিভি চ্যানেল ডিবিসি’র চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী, একুশে টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল, সারাবাংলা ও গাজী টিভির এডিটর ইন চিফ ইশতিয়াক রেজা এবং বাংলা ট্রিবিউনের সম্পাদক জুলফিকার রাসেল।
আরও খবর:
‘সাংবাদিকদের স্বাধীনতা বাধাপ্রাপ্ত হবে’
‘অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এই ধারার অন্তরায়’
‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এপিঠ-ওপিঠ’ শীর্ষক বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি শুরু