দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের আয়োজনে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এপিঠ-ওপিঠ’ শীর্ষক বৈঠকিতে তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টায় বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি শুরু হয়।
রাজধানীর শুক্রাবাদে বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিও থেকে এ আয়োজন সরাসরি সম্প্রচার করে এটিএন নিউজ। পাশাপাশি বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক ও হোমপেজে লাইভ দেখা যায় বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি।
জুলফিকার রাসেল বলেন, ‘আইন করা হয় জনস্বার্থে। আর সাংবাদিকরা জনস্বার্থেই কাজ করে। কিন্তু, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনটিতে বলা হলো, যদি কোনও অফিসের গোপন তথ্য প্রকাশ হয় এবং সেটিতে যদি জনস্বার্থ আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তাহলেই আইনটি প্রয়োগ করা যাবে। কিন্তু সাংবাদিকরা যদি মনে করে সরকারি কোনও অফিসের দুর্নীতি অথবা কোনও অনিয়ম জনস্বার্থেই প্রকাশ করা উচিত, সাংবাদিক তখন মনে করবেন জনগণকে সেই তথ্যটি জানানো তার দায়িত্ব। কিন্তু সেটা জনস্বার্থে প্রকাশ করার পর সরকার যদি মনে করে এটা জনস্বার্থ আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে; তখন ওই সাংবাদিককে তো জেলে যেতে হবে।’
মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা এবং বেসরকারি টিভি চ্যানেল ডিবিসি’র চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ড. মো. গোলাম রহমান, একুশে টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল, সারাবাংলা ও গাজী টিভির এডিটর ইন চিফ ইশতিয়াক রেজা।
আরও খবর:
‘সাংবাদিকদের স্বাধীনতা বাধাপ্রাপ্ত হবে’
‘দেশ উপকৃত হবে, নাকি অন্য কিছু হবে’
‘অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এই ধারার অন্তরায়’
‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এপিঠ-ওপিঠ’ শীর্ষক বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি শুরু