তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রত্যাবাসন একটি জটিল প্রক্রিয়া। কিন্তু রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব। আমরা দেখছি আমাদের দুই পক্ষেরই রাজনৈতিক সদিচ্ছা আছে। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আমরা দুজনেই আগামীকাল (বুধবার) কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছি।’
মিন্ট থো বলেন, ‘আমাদের দুইপক্ষেরই রাজনৈতিক সদিচ্ছা আছে এবং আমরা দুই পক্ষই দ্রুত প্রত্যাবাসন শুরু করতে চাই।’
রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা রাখাইনে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। এরমধ্যে রয়েছে সেখানকার পুলিশ এবং জনগণকে সচেতন করা, যাতে রোহিঙ্গারা বৈষম্যের শিকার না হয়।’
প্রথম ব্যাচে কতজন রোহিঙ্গা দেশে ফিরে যাবেন তা জানা যায়নি। তবে ফেব্রুয়ারিতে ৮ হাজার ৩২ জনের একটি তালিকা মিয়ানমারকে পাঠানো হয়েছিল। এরমধ্যে ৪ হাজার ৬০০ জনের তথ্য তারা যাচাই-বাছাই করেছে।