মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে রবিবার (৬ জানুয়ারি) প্রকাশিত নতুন মন্ত্রিসভার তালিকা পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।
১৪ দল ও জাতীয় পার্টিকে নিয়ে নির্বাচনি জোট গঠন করে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে সরকার গঠিত হয়, তাতে আওয়ামী লীগ ছাড়াও জোট-মহাজোট শরিকদের স্থান দেওয়া হয়। ওই সময় জাতীয় পার্টির গোলাম মোহাম্মদ কাদের ও সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়াকে (টেকনোক্র্যাট) মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়েছিল। ওই সরকারের মেয়াদের দ্বিতীয়ার্ধে জাসদের হাসানুল হক ইনু ও ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেননকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও রাশেদ খান মেনন প্রথমে মন্ত্রী হননি। তবে সরকারের মেয়াদের শেষভাবে যখন নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হয় ওই সময় মেনন খান মেনন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হন। রওশন এরশাদসহ জাতীয় পার্টির একাধিক সংসদ সদস্য নির্বাচনকালীন সরকারের সঙ্গে ছিলেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসার পরও জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের মন্ত্রিসভায় রাখা হয়। সোমবার (৭ জানুয়ারি) নতুন মন্ত্রিসভার শপথ না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান সরকারে জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মজিবুর রহমান চুন্নু ও মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ এবং ১৪ দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, জাসদের হাসানুল হক ইনু ও জাতীয় পার্টির (জেপি) আনোয়ার হোসেন (মঞ্জু) মন্ত্রিসভায় রয়েছেন। তবে সোমবার নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার যেসব সদস্য শপথ নিতে যাচ্ছেন, সেখানে আওয়ামী লীগের বাইরে শরিক দলের কারও স্থান হচ্ছে না। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী মিলে ৪৬ সদস্যের মধ্যে ৪৩ জনই আওয়ামী লীগের মনোনয়নে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হন। বাকি ৩ জন টেকনোক্র্যাট। এদের মধ্যে ইয়াফেস ওসমান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ দলের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা। অন্যদিকে, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তিনি আওয়ামী ঘরানার তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসেবে পরিচিত।
আরও পড়ুন:
২৪ মন্ত্রী, ১৯ প্রতিমন্ত্রী ও ৩ উপমন্ত্রী
নতুন মন্ত্রীদের গাড়ি প্রস্তুত
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন