কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নারী পক্ষের নেত্রীরা বলেন, ‘বাংলাদেশ সংবিধান দেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সমানভাবে ভোগের নিশ্চিয়তা দিয়েছে। কিন্তু সংবিধানেই আবার ব্যক্তি অধিকারের বিষয়টি উহ্য রেখে একটি সাংঘর্ষিক অবস্থায় ফেলে দিয়েছে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮ (১) এ বলা হয়েছে. ‘ধর্ম গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী, পুরুষ ভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনও নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না। অথচ ২৮.২ অনুচ্ছেদে কেবল রাষ্ট্র ও জনজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করার কথা বলা হয়েছে। ফলে ব্যক্তি অধিকারের ক্ষেত্রে নারী সবসময়ই বৈষম্যের শিকার।’
নারী নেত্রীরা বলেন, ‘নারীর অবস্থার সঙ্গে সঙ্গে অবস্থানের পরিবর্তন ঘটিয়ে তার নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব। তাই রাষ্ট্র, বিশেষ করে সরকারের কাছে নারীপক্ষের দাবি রাষ্ট্র ও জনজীবনের সঙ্গে ব্যক্তিজীবনের সর্বস্তরেও নারী পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৬ অনুযায়ী মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সব আইন বাতিল করা হোক। পাশাপাশি সরকারের অঙ্গিকারকৃত আন্তর্জাতিক সনদ ও দলিলসমূহ বাস্তবায়ন করে নারীকে সমমর্যাদার একজন নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবি জানান নেত্রীরা।
ছবি: সাজ্জাদ হোসেন